নয়াদিল্লি/কলকাতা: তৃণমূল জোড়াফুল প্রতীক ,তৃণমূলের দলীয় নাম ও জোড়াফুল প্রতীক নিয়ে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় ও ঋতব্রত বন্দ্যোপাধ্যায়ের দুই শিবিরের টানাপড়েন এবার সরাসরি এসে পড়ল উপনির্বাচনের ময়দানে। বৃহস্পতিবার অন্তর্বর্তী নির্দেশে দুই গোষ্ঠীকেই ‘অল ইন্ডিয়া তৃণমূল কংগ্রেস’ নাম এবং দলের সংরক্ষিত ‘জোড়াফুল’ প্রতীক ব্যবহারে নিষেধাজ্ঞা জারি করেছে নির্বাচন কমিশন।
নির্বাচন কমিশনের এই সিদ্ধান্তের ফলে নন্দীগ্রাম ও রেজিনগরের আসন্ন উপনির্বাচনে কোনও পক্ষই আপাতত তৃণমূলের পুরনো দলীয় পরিচয় ও প্রতীক নিয়ে লড়তে পারবে না। দুই শিবিরকেই আলাদা নাম এবং কমিশনের তালিকায় থাকা মুক্ত প্রতীক বেছে নিতে হবে।
কমিশনের নির্দেশ অনুযায়ী, মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় এবং ঋতব্রত বন্দ্যোপাধ্যায়ের নেতৃত্বাধীন দুই পক্ষকে ১৮ সেপ্টেম্বর সকাল ১১টার মধ্যে তিনটি করে পছন্দের দলের নাম এবং তিনটি করে মুক্ত প্রতীকের প্রস্তাব দিতে বলা হয়েছে। এরপর উপনির্বাচনের জন্য দুই পক্ষকে পৃথক নাম ও প্রতীক বরাদ্দ করা হবে।
জোড়াফুল নিয়ে কেন এত টানাপড়েন?
তৃণমূলের সাংগঠনিক নিয়ন্ত্রণ, দলের নাম এবং নির্বাচনী প্রতীক নিয়ে বেশ কিছুদিন ধরেই দুই শিবিরের মধ্যে বিরোধ চলছে। নন্দীগ্রাম ও রেজিনগরের উপনির্বাচনে দুই পক্ষই নিজেদের তৃণমূল হিসেবে দাবি করে প্রার্থী দিয়েছে। ফলে একই দলীয় নাম ও প্রতীক নিয়ে দুই প্রার্থীর মনোনয়ন ঘিরে জটিলতা তৈরি হয়।তৃণমূল জোড়াফুল প্রতীক
এর আগে মমতা-শিবির জানিয়েছিল, তারা দলের প্রচলিত জোড়াফুল প্রতীকেই উপনির্বাচনে লড়বে। পাল্টা ঋতব্রত-শিবিরও প্রতীকের উপর নিজেদের দাবি জানিয়েছিল। শেষ পর্যন্ত বিষয়টি নির্বাচন কমিশনের সিদ্ধান্তের উপর নির্ভর করে।তৃণমূল জোড়াফুল প্রতীক
এবার আলাদা পরিচয়ে ভোটের লড়াই
কমিশনের অন্তর্বর্তী সিদ্ধান্তে আপাতত দুই শিবিরের কাছ থেকেই সরিয়ে নেওয়া হল তৃণমূলের পরিচিত নাম ও প্রতীক। তবে দলের নাম ও জোড়াফুলের চূড়ান্ত অধিকার কোন পক্ষ পাবে, সে বিষয়ে এখনও কোনও চূড়ান্ত নিষ্পত্তি হয়নি। আপাতত উপনির্বাচনকে সামনে রেখে সাময়িক ব্যবস্থা হিসেবেই এই সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে।
৬ অক্টোবর নন্দীগ্রাম ও রেজিনগরে ভোট হওয়ার কথা। গণনা হবে ৯ অক্টোবর। ফলে তার আগেই দুই শিবিরকে নতুন নাম ও প্রতীক নিয়ে প্রচারে নামতে হবে।তৃণমূল জোড়াফুল প্রতীক

