অষ্টম বর্ষে রামতনু বোস লেন পল্লিবাসী বৃন্দের গণেশ পুজো, সম্পূর্ণ চাঁদা ছাড়াই আয়োজনের দাবি উদ্যোক্তাদের
কলকাতা: গিরিশপার্কের গণেশ পুজো , উৎসবের আবহে সেজে উঠেছে উত্তর কলকাতার গিরিশপার্ক। রামতনু বোস লেন পল্লিবাসী বৃন্দের উদ্যোগে এ বছর অষ্টম বর্ষে পা দিল গণেশ পুজো। স্থানীয় বাসিন্দাদের উদ্যোগে আয়োজিত এই পুজোয় গণেশকে ‘গিরিশপার্কের মহারাজা’ হিসেবে পুজো করা হয়।
পুজোর উদ্বোধন ঘিরে এদিন এলাকায় ছিল উৎসবের আবহ। অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন রাজ্যের মন্ত্রী পূর্ণিমা চক্রবর্তী, বিধায়ক বিজয় ওঝা, সন্তোষ পাঠক-সহ একাধিক বিশিষ্ট ব্যক্তি। পুজো উপলক্ষে স্থানীয় বাসিন্দা ও দর্শনার্থীদের ভিড়ও চোখে পড়ে।
পুজোর পাশাপাশি সামাজিক উদ্যোগ
শুধু ধর্মীয় অনুষ্ঠানেই সীমাবদ্ধ থাকেননি উদ্যোক্তারা। গণেশ পুজোর সঙ্গে এবারও রাখা হয়েছে সামাজিক কর্মসূচি। আয়োজন করা হয়েছে রক্তদান উৎসবের। স্থানীয় বাসিন্দাদের পাশাপাশি সাধারণ মানুষকেও এই উদ্যোগে অংশ নেওয়ার আহ্বান জানানো হয়েছে।
উদ্যোক্তাদের বক্তব্য, উৎসবের আনন্দের পাশাপাশি মানুষের পাশে দাঁড়ানোর বার্তাও দিতে চান তাঁরা। সেই ভাবনা থেকেই পুজোর সঙ্গে রক্তদান কর্মসূচি যুক্ত করা হয়েছে।গিরিশপার্কের গণেশ পুজো
চাঁদা ছাড়াই পুজোর আয়োজন
এই পুজোর অন্যতম উল্লেখযোগ্য দিক হল অর্থ সংগ্রহের পদ্ধতি। উদ্যোক্তাদের দাবি, সাধারণ মানুষের কাছ থেকে কোনও চাঁদা না নিয়েই এই পুজোর আয়োজন করা হয়েছে। পল্লিবাসীদের সম্মিলিত উদ্যোগ এবং সহযোগিতাতেই পুজোর সমস্ত আয়োজন সম্পন্ন করা হচ্ছে বলে জানিয়েছেন তাঁরা।গিরিশপার্কের গণেশ পুজো
অষ্টম বর্ষে এসে রামতনু বোস লেনের এই গণেশ পুজো স্থানীয় মানুষের কাছে অন্যতম আকর্ষণের কেন্দ্র হয়ে উঠেছে। পুজোকে ঘিরে সাংস্কৃতিক ও সামাজিক নানা কর্মসূচির মাধ্যমে উৎসবের পরিবেশ আরও প্রাণবন্ত করে তোলার চেষ্টা করছেন উদ্যোক্তারা।
গিরিশপার্কের এই পুজোয় ধর্মীয় আবহের পাশাপাশি সামাজিক বার্তাও বিশেষ গুরুত্ব পেয়েছে। রক্তদান উৎসবের আয়োজন সেই উদ্যোগকেই আরও তাৎপর্যপূর্ণ করে তুলেছে।গিরিশপার্কের গণেশ পুজো

