‘চন্দ্রনাথ খুনের পিছনে ভাইপো গ্যাং, ২ কোটি টাকার সুপারি’—বিস্ফোরক দাবি মুখ্যমন্ত্রীর

‘চন্দ্রনাথ খুনের পিছনে ভাইপো গ্যাং, ২ কোটি টাকার সুপারি’—বিস্ফোরক দাবি মুখ্যমন্ত্রীর

নন্দীগ্রাম: চন্দ্রনাথ রথ হত্যাকাণ্ডকে ঘিরে ফের বিস্ফোরক দাবি করলেন মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী। তাঁর অভিযোগ, চন্দ্রনাথ রথকে খুনের পিছনে রয়েছে ‘ভাইপো গ্যাং’। এমনকী, খুনের জন্য ২ কোটি টাকার সুপারি দেওয়া হয়েছিল বলেও দাবি করেছেন তিনি।

চন্দ্রনাথ রথ ছিলেন মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারীর ঘনিষ্ঠ সহযোগী। চলতি বছরের মে মাসে মধ্যমগ্রামে তাঁকে গুলি করে খুন করা হয়। ঘটনার পর থেকেই এই হত্যাকাণ্ডকে ঘিরে রাজনৈতিক চাপানউতোর শুরু হয়। তদন্তের দায়িত্ব পরে সিবিআইয়ের হাতে যায়।

এই হত্যাকাণ্ড প্রসঙ্গেই মুখ্যমন্ত্রীর বিস্ফোরক অভিযোগ, “চন্দ্রনাথ খুনের পিছনে ভাইপো গ্যাং। ২ কোটি টাকার সুপারি দেওয়া হয়েছিল।” তাঁর এই মন্তব্যকে ঘিরে রাজ্য রাজনীতিতে নতুন করে বিতর্ক তৈরি হয়েছে।

চন্দ্রনাথ রথ হত্যাকাণ্ডের তদন্তে এর আগে একাধিক ব্যক্তিকে গ্রেফতার করা হয়েছিল। তদন্তকারীদের তরফে খুনের ঘটনায় একাধিক সূত্র খতিয়ে দেখার কথা সামনে এসেছিল। ঘটনায় ব্যবহৃত গাড়ি, মোটরবাইক এবং অন্যান্য তথ্যের ভিত্তিতেও তদন্ত এগোয়।

রাজনৈতিক মহলের মতে, নন্দীগ্রাম উপনির্বাচনের আবহে মুখ্যমন্ত্রীর এই মন্তব্য অত্যন্ত তাৎপর্যপূর্ণ। চন্দ্রনাথ রথের মা হাসিরানী রথই এবার নন্দীগ্রাম উপনির্বাচনে বিজেপির প্রার্থী। মঙ্গলবার তিনি হলদিয়া মহকুমাশাসকের দপ্তরে মনোনয়ন জমা দিয়েছেন। মনোনয়ন পর্বে তাঁর পাশে ছিলেন মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী-সহ বিজেপির নেতৃত্ব।

ফলে চন্দ্রনাথ রথের হত্যাকাণ্ড এবং তাঁর পরিবারের সদস্যকে নন্দীগ্রামে বিজেপির প্রার্থী করা—দুই ঘটনাই এখন রাজনৈতিক প্রচারের গুরুত্বপূর্ণ বিষয় হয়ে উঠেছে।

তবে ২ কোটি টাকার সুপারি এবং ‘ভাইপো গ্যাং’-এর যোগসাজশের অভিযোগটি মুখ্যমন্ত্রীর রাজনৈতিক দাবি। তদন্তকারী সংস্থার চূড়ান্ত রিপোর্ট বা আদালতের রায়ে এই নির্দিষ্ট অভিযোগের সত্যতা প্রতিষ্ঠিত হয়েছে কি না, তা আলাদা বিষয়।

চন্দ্রনাথ রথ হত্যাকাণ্ডের তদন্ত কোন দিকে এগোয় এবং মুখ্যমন্ত্রীর এই বিস্ফোরক দাবির ভিত্তি কী, তা নিয়েই এখন নজর রাজনৈতিক মহলের।


চন্দ্রনাথ রথ হত্যাকাণ্ড নিয়ে বিস্ফোরক দাবি মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারীর। তাঁর অভিযোগ, ‘ভাইপো গ্যাং’ খুনের জন্য ২ কোটি টাকার সুপারি দিয়েছিল। নন্দীগ্রাম উপনির্বাচনের আবহে মন্তব্য ঘিরে শুরু হয়েছে নতুন রাজনৈতিক বিতর্ক।