৯৯তম বর্ষে নতুন চমক, সাবেকিয়ানা ও পরিবেশবান্ধব মণ্ডপে বেলগাছিয়া কেন্দ্রীয় সর্বজনীনের পুজো

৯৯তম বর্ষে নতুন চমক, সাবেকিয়ানা ও পরিবেশবান্ধব মণ্ডপে বেলগাছিয়া কেন্দ্রীয় সর্বজনীনের পুজো

চণ্ডীপাঠের মধ্য দিয়ে সূচনা, সুতোর কাজের শিল্পকর্মে বিশেষ আকর্ষণ

কলকাতা: শরতের আকাশে পুজোর গন্ধ। চারদিকে উৎসবের প্রস্তুতি। তারই মধ্যে তৃতীয়ার দিন চণ্ডীপাঠের মধ্য দিয়ে আনুষ্ঠানিক সূচনা হল বেলগাছিয়া কেন্দ্রীয় সর্বজনীন দুর্গোৎসবের। এ বছর ৯৯তম বর্ষে পা রাখল উত্তর কলকাতার এই ঐতিহ্যবাহী পুজো। দীর্ঘদিনের সাবেকিয়ানা ও ঐতিহ্যকে ধরে রেখেই দর্শনার্থীদের জন্য বিশেষ আয়োজন করেছেন উদ্যোক্তারা।

মঙ্গলবার পুজোর উদ্বোধনে উপস্থিত ছিলেন স্থানীয় বিধায়ক রীতেশ তিওয়ারি, স্বামী মুক্তেশ্বরানন্দ মহারাজ, উদ্যোগপতি বিজয় আগরওয়াল, ঊষাশংকর পাঠক এবং চিকিৎসক প্রসূন ঘোষ-সহ বিশিষ্টজনেরা। চণ্ডীপাঠের মধ্য দিয়ে পুজোর সূচনা হয়। উৎসবের আবহে উদ্বোধনী অনুষ্ঠান ঘিরে এলাকায় তৈরি হয় উৎসাহ।

এবারের পুজোয় সাবেকিয়ানাকে বিশেষ গুরুত্ব দেওয়া হয়েছে। আধুনিকতার ভিড়ে বাংলার ঐতিহ্যবাহী পুজোর আবহ ধরে রাখার পাশাপাশি পরিবেশবান্ধব মণ্ডপসজ্জার দিকেও নজর দিয়েছেন উদ্যোক্তারা। মণ্ডপের সাজে সুতোর কাজের শিল্পকর্ম তুলে ধরা হয়েছে, যা এবারের আয়োজনের অন্যতম আকর্ষণ। নান্দনিকতা ও ঐতিহ্যের মেলবন্ধনে মণ্ডপসজ্জাকে দর্শনার্থীদের কাছে আকর্ষণীয় করে তোলার চেষ্টা করা হয়েছে।

দুর্গাপুজো শুধু ধর্মীয় উৎসব নয়, বাঙালির সংস্কৃতি, আবেগ ও সামাজিক মিলনমেলারও প্রতীক। সেই ভাবনাকে সামনে রেখেই বেলগাছিয়া কেন্দ্রীয় সর্বজনীন দীর্ঘদিন ধরে পুজোর আয়োজন করে আসছে। ৯৯তম বর্ষে পৌঁছে ঐতিহ্যের ধারাবাহিকতা বজায় রাখার পাশাপাশি পরিবেশের প্রতি দায়বদ্ধতার বার্তাও তুলে ধরতে চাইছেন উদ্যোক্তারা।

পুজোকে ঘিরে ইতিমধ্যেই এলাকায় উৎসাহ তৈরি হয়েছে। মণ্ডপসজ্জা, চণ্ডীপাঠ এবং সাবেকি আবহ দর্শনার্থীদের আকর্ষণ করবে বলে আশাবাদী আয়োজকরা। শতবর্ষের দোরগোড়ায় দাঁড়িয়ে বেলগাছিয়া কেন্দ্রীয় সর্বজনীনের এবারের দুর্গোৎসব তাই ঐতিহ্য, শিল্পকর্ম ও পরিবেশবান্ধব ভাবনার এক বিশেষ সমন্বয় হয়ে উঠতে চলেছে।


৯৯তম বর্ষে পা রাখল বেলগাছিয়া কেন্দ্রীয় সর্বজনীন দুর্গোৎসব। তৃতীয়ার দিন চণ্ডীপাঠের মধ্য দিয়ে পুজোর সূচনা হয়। সাবেকিয়ানার পাশাপাশি পরিবেশবান্ধব মণ্ডপসজ্জা ও সুতোর কাজের শিল্পকর্ম এবারের পুজোর বিশেষ আকর্ষণ।