পুণের বঙ্গ ভারতীর দুর্গোৎসবে ‘বাংলার ঐতিহ্য’, মাটির সাজে সেজে উঠবেন দেবী

পুণের বঙ্গ ভারতীর দুর্গোৎসবে ‘বাংলার ঐতিহ্য’, মাটির সাজে সেজে উঠবেন দেবী

বঙ্গ ভারতীর দুর্গোৎসব ,পুণের পিম্পরি-চিঞ্চওয়াড়ে বাংলার শিল্প, সংস্কৃতি ও ঐতিহ্যকে সামনে রেখে অনুষ্ঠিত হতে চলেছে বঙ্গ ভারতীর ৪১তম দুর্গোৎসব। ১৯৭৪ সালে প্রতিষ্ঠিত এই বাঙালি সামাজিক ও সাংস্কৃতিক সংগঠনের এবারের পুজোর মূল ভাবনা ‘বাংলার ঐতিহ্য’। ইতিমধ্যেই শুরু হয়েছে উৎসবের প্রস্তুতি।
এবারের অন্যতম আকর্ষণ মাটির তৈরি মাতৃপ্রতিমা। শুধু প্রতিমাই নয়, দেবীর শাড়ি, গয়না ও মুকুটও তৈরি হবে মাটির কারুকার্যে। বাংলার মৃৎশিল্পের ঐতিহ্যকে নতুন শিল্পরূপে তুলে ধরতেই এই বিশেষ উদ্যোগ।
মণ্ডপসজ্জা থেকে পুজোর আচার—সব ক্ষেত্রেই থাকবে বাংলার সংস্কৃতির ছোঁয়া। কলকাতা থেকে আসা ঢাকিদের বাদ্যি, ধুনুচি নাচ এবং বাঙালির চিরাচরিত পুজোর নানা আচার-অনুষ্ঠানে পুণের মাটিতে ফুটে উঠবে বাংলার নিজস্ব আবহ।
বঙ্গ ভারতীর দুর্গোৎসবে প্রতি বছরই বিপুল সংখ্যক দর্শনার্থীর সমাগম হয়। সংগঠন সূত্রে জানা গিয়েছে, প্রতিদিন ৫ হাজারেরও বেশি মানুষ পুজো প্রাঙ্গণে আসেন। চার দিন ধরে প্রতিদিন ৩ হাজারেরও বেশি ভক্তের জন্য থাকবে বিনামূল্যে ভোগের ব্যবস্থা।
উৎসবের পাশাপাশি সামাজিক দায়বদ্ধতাকেও গুরুত্ব দিচ্ছেন উদ্যোক্তারা। দৃষ্টিহীন বিদ্যালয়ের ছাত্রছাত্রী এবং প্রবীণ নাগরিকদের জন্য খাদ্যসেবার উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে। এর মাধ্যমে সমাজের বিভিন্ন স্তরের মানুষের সঙ্গে উৎসবের আনন্দ ভাগ করে নিতে চায় বঙ্গ ভারতী।
সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠানেও থাকছে বিশেষ আকর্ষণ। ১৯ অক্টোবর জনপ্রিয় শিল্পী অনুষ্কা পাত্র এবং ২০ অক্টোবর ময়ূরী দারানি তাঁদের পরিবেশনা নিয়ে উপস্থিত থাকবেন।
সভাপতি সন্দীপ রায় এবং সাধারণ সম্পাদক সদীপ চক্রবর্তী-র নেতৃত্বে এবারের আয়োজনে ধর্মীয় উৎসবের পাশাপাশি বাংলার শিল্প, সংস্কৃতি, ঐতিহ্য, সম্প্রীতি ও সামাজিক দায়বদ্ধতাকে একসূত্রে বাঁধার চেষ্টা করা হয়েছে। প্রবাসে থেকেও বাংলার শিকড় ও সংস্কৃতির সঙ্গে যোগসূত্র অটুট রাখাই বঙ্গ ভারতীর ৪১তম দুর্গোৎসবের মূল বার্তা।বঙ্গ ভারতীর দুর্গোৎসব


পুণের পিম্পরি-চিঞ্চওয়াড়ে বঙ্গ ভারতীর ৪১তম দুর্গোৎসবের মূল ভাবনা ‘বাংলার ঐতিহ্য’। মাটির তৈরি প্রতিমা, শাড়ি, গয়না ও মুকুটের কারুকার্যের পাশাপাশি থাকছে ঢাক, ধুনুচি নাচ, সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান এবং সমাজসেবামূলক উদ্যোগ।