স্টাফ রিপোর্টার:
মোহনবাগান ইস্টবেঙ্গল ডার্বি । একঝাঁক আইএসএলের ফুটবলারকে নামিয়েও ইস্টবেঙ্গলের রিজার্ভ দলের বিরুদ্ধে ডার্বি জিততে পারল না মোহনবাগান এসজি। দলের প্রথম একাদশ থেকে রিজার্ভ বেঞ্চ—সর্বত্রই ছিল একাধিক আইএসএল দলের ফুটবলার। কিন্তু ডার্বি জেতার সেই তাগিদটা কোথায়?
অন্যদিকে, নিখাদ বাঙালির প্রথম একাদশ নিয়ে মাঠে নেমে ইস্টবেঙ্গল শেষ পর্যন্ত ডার্বি জয়ের জন্য প্রাণপণ চেষ্টা করে গেল। পিছিয়ে পড়েও খেলায় সমতা ফিরিয়ে আনল তারা। ইস্টবেঙ্গলের রিজার্ভ দলের ফুটবলাররা নিজেদের সমর্থকদের মন জয় করে নিতে সক্ষম হলেন।
স্বাভাবিকভাবেই, আইএসএলের একঝাঁক ফুটবলারকে নিয়ে মাঠে নেমেও মোহনবাগানের ডার্বি জিততে না পারায় শুরু হয়েছে বিদ্রুপের ঝড়। ম্যাচের গতি বাড়িয়ে জয়ের লক্ষ্যে রিজার্ভ বেঞ্চ থেকে ফুটবলার নামাতেও মোহনবাগান এসজি-র এত অনীহা কেন—এই প্রশ্নও উঠছে।মোহনবাগান ইস্টবেঙ্গল ডার্বি ।
দুই দলের প্রাক্তন ফুটবলাররা জেলায় জেলায় যে তথাকথিত পাতানো ম্যাচ খেলে থাকেন, এই ডার্বির মান কি তার চেয়ে খুব একটা ভালো ছিল?
ম্যাচের প্রথমার্ধে মোহনবাগানের হয়ে গোল করেন মনবীর সিং। বিরতির পর ইস্টবেঙ্গলের পরিবর্ত ফুটবলার মহম্মদ বেলাল গোল করে দলকে সমতায় ফেরান। শেষ পর্যন্ত বেলালই ম্যাচের সেরা নির্বাচিত হন।
তবে এই ম্যাচের আগে দুই দলই সুপার সিক্সে জায়গা করে নিয়েছিল। ফলে ম্যাচটি কার্যত ছিল নিয়মরক্ষার। সেই নিরামিষ ম্যাচকেই ইস্টবেঙ্গল নিজেদের বাঙালি আবেগ এবং লড়াইয়ের মানসিকতা দিয়ে স্মরণীয় করে তুলল।
মোহনবাগানও যেন তাদের ঐতিহ্যের প্রতি আরও সতর্ক হয়—এটাই সময়ের দাবি।

